
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (দেওয়ানগঞ্জ–বকশীগঞ্জ) আসনে বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত ৭৫ হাজার ৮৩৬ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ায় দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ সাদা।এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, দীর্ঘ প্রচেষ্টা, শত বাধা-বিপত্তি, মামলা-হামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েও দলের নেতাকর্মীরা দমে যাননি। ২৪শে জুলাইয়ের আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতা ও বিএনপির পৃষ্ঠপোষক থেকে শুরু করে আপামর জনসাধারণের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণে একটি নতুন বাংলাদেশের রূপান্তর ঘটেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।তিনি আরও বলেন, সারাদেশ যখন অস্থির পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, তখন এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের নির্দেশনায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় সচেষ্ট ছিলেন। তাদের দায়িত্বশীল ও নমনীয় ভূমিকা তাকে মুগ্ধ করেছে বলেও জানান তিনি।আব্দুর রশিদ সাদা বলেন, দীর্ঘ প্রত্যাশার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেতাকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটে বিপুল ব্যবধানে এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে সংসদে পাঠানো সম্ভব হয়েছে। শুরু থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে ছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান বড় জয়ে রূপ নেয়। সংগঠনের সক্রিয়তা ও ভোটারদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ এ জয়ের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।এ জন্য তিনি উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, ইউনিয়ন বিএনপি ও সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।সেই সঙ্গে নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। সেই সঙ্গে তিনি সকল নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানান—প্রতিপক্ষ বা বিরোধীদলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ না করে অতীতের ন্যায় ধৈর্য, সংযম ও ঐক্যের সঙ্গে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।এছাড়াও তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের প্রিয় দেওয়ানগঞ্জ-কে উন্নয়ন, শান্তি ও সম্প্রীতির এক অনন্য রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ, সুশাসন ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে দেওয়ানগঞ্জকে এমন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে হবে, যাতে তা দেশব্যাপী নয়, বহির্বিশ্বেও একটি ইতিবাচক উদাহরণ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।